শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকা

Institute Type

ফটোগ্যালারি

নং নাম অফিসের ছবি অর্জন ভবিষৎ পরিকল্পনা মেধাবী ছাত্রবৃন্দ শিক্ষাবৃত্তি তথ্যসমুহ ইতিহাস ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা (শ্রেণীভিত্তিক) বর্তমান পরিচালনা কমিটির তথ্য বিগত ৫ বছরের সমাপনী/পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল যোগাযোগ সংক্ষিপ্ত বর্ণনা প্রতিষ্ঠাকাল পাশের হার মোট ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা ধরণ ফটোগ্যালারি প্রধান শিক্ষক/ অধ্যক্ষ অন্যান্য শিক্ষকদের তালিকা কার্যকলাপ
  
                 
পশ্চিম সদর নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়

২০১৩ সালের জে এস সি পরীক্ষায় ১৮টি এ প্লাস ও ২৭ টি এ গ্রেড।

২০১২ সালের জে এস সি পরীক্ষায় ১২ টি এ প্লাস ও ৩৫ টি এ গ্রেড।

১। দু শিফটে ক্লাস নেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া।

২। ছাত্রীদের জন্য পৃথক শাখা খোলা।

৩। সম্পূর্ণ ডিজিটাল ক্লাস রুম তৈরী করা (বর্তমানে একটি বিদ্যমান)।

১। মোঃ ফারুক আহমদ- ৬ষ্ঠ শ্রেণী।

২। মোঃ শুয়াইব আহমদ - ৭ম শ্রেণী।

৩। লিজা বেগম - ৮ম শ্রেণী।

৪। ফররুখ আহমদ -- ৯ম শ্রেণী।

৫। প্রমি চন্দ - ১০ শ্রেণী।

৭। বিলাল আহমদ - ৬ষ্ঠ শ্রেণী।

৮। রেজাউল হক - ৭ম শ্রেণী।

৯। শিহাব উদ্দিন - ৮ম শ্রেণী।

ঐতিহাসিক এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এলাকায় শিক্ষার বিস্তারে অগ্রগামী ভূমিকা পালন করছে। এ প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষা লাভ করে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক লোক দেশ ও সমাজের সেবায় নিয়োজিত আছেন।

৬ষ্ট শ্রেণী - ৭০ জন

 

৭ম শ্রেণী - ৬৩ জন

 

৮ম শ্রেণী - ৫৯ জন

বর্তমান পরিচালনা কমিটির তথ্য

এডভোকেট মিছবা উদ্দিন সিরাজ

সভাপতি

জনাব আজির উদ্দিন

সহসভাপতি

জনাব মুশাহিদ আলী

সাধারণ সম্পাদক

রহিম উদ্দিন

সহ সাধারণ সম্পাদক

গিয়াস উদ্দিন

সদস্য

আজির উদ্দিন চেয়ারম্যান

সদস্য

কাজী মিছবা উদ্দিন

সদস্য

তৈয়বুর রহমান বিরাই

 

পশ্চিম সদর বিদ্যালয় টি স্থাপন হওয়ায় এলাকার ছেলে মেয়েদের পড়ালেখায় অনেক গুন বৃদ্ধি পেয়েছে।

এলাকার সুশিল সমাজের দায়িত্ব বিদ্যালয়টি আজ অনেকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

ঐতিহাসিক এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এলাকায় শিক্ষার বিস্তারে অগ্রগামী ভূমিকা পালন করছে। এ প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষা লাভ করে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক লোক দেশ ও সমাজের সেবায় নিয়োজিত আছেন।

১৯৭৬ ৬৭% ১৯২ নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়
দেখুন
লালারগাঁও সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়   ৫৬ ৪৬৯ প্রাথমিক বিদ্যালয়
দেখুন
আল হেরা একাডেমী

১৮৯৭ খ্রিঃ জনাব সুরুজ আলীর দানকৃত .৬৬ শতক ভূমিতে তদীয় কুল দেবতা মঙ্গলচন্ডী এর নামে আল হেরা একাডেমী স্থাপন করেন। ঐ স্থানটি সিলেট- সুনামগঞ্জ মহাসড়কের বাজার থেকে ০১ কি.মি. পশ্চিমে অবস্থিত। ১৯৩০ খ্রিঃ বিদ্যালয়টি ৫ম শ্রেণীতে উন্নীত করার প্রয়োজনে দুলিয়ারবন্দ মৌজায় রবিদাস গ্রাম নিবাসী মহাজন বাড়ীর বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ও দানশীল ব্যক্তি শ্রী নন্দ কুমার দেব বিদ্যালয়ের জন্য এক প্লটে ৪.৩৮ একর ও প্রধান শিক্ষকের বাসভবনের জন্য .৩৪ একর ভূমি দান করেন এবং বিদ্যালয়টির নাম করণ হয় মঙ্গলচন্ডী উচ্চ বিদ্যালয়। কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক ১৯৩০ খ্রিস্টাবেই প্রথম হাইস্কুল হিসাবে প্রথম স্বীকৃত প্রাপ্ত হয়ে ঐ সনেই মাধ্যমিক পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে গৌরবোজ্জ্বল ফলাফল করে। অদ্যাবধি বিদ্যালয়টি এ জনপদের প্রাচীনতম মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে সুনাম ও ঐতিহ্যের সহিত এলাকায় শিক্ষার আলো বিস্তার করে চলেছে । বিদ্যালয়টি থেকে অনেক দেশ বরেণ্য প্রথিত যশা ব্যক্তিত্ব দেশে ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সুনামের স্বাক্ষর রেখে চলেছেন। লেখা পড়ার পাশাপাশি সকল সহপাঠক্রমিক কার্যাবলীতে বিদ্যালয়টির সুনাম সর্বজন বিদিত। ২০১১ খ্রিঃ ৪১শ জাতীয় স্কুল মাদ্রাসা শীতকালীন খেলাধূলায় প্রথম প্রবর্তিত বালকদের ব্যাডমিন্টন খেলায় একক ও দ্বৈত উভয় ইভেন্টে বিদ্যালয়ের ০২ জন খেলোয়াড় জাতীয় রানার্স আপ হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে। পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্মের পর ১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দে দুষ্কৃত কারী কর্তৃক বিদ্যালয়টি আগুনে পুড়ে ভষ্পীভূত হয়ে যায়। পরবর্তীতে গোয়ালাবাজারের ব্রাহ্মণগ্রাম নিবাসী বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শ্রী ধীরেনর্র  কুমার দেব এর একক অর্থায়নে বিদ্যালয় গৃহাদি ও আসবাবপত্র পুনঃ নির্মিত হলে তাঁর পিতা নিশিকান্ত দেব (নিশিমহাজন) এর নাম নবযুক্ত হয়ে বিদ্যালয়ের নাম করণ হয় মঙ্গলচন্ডী নিশিকান্ত উচ্চ বিদ্যালয়।

আল-হেরা একাডেমী, সিলেট।      বিদ্যালয়টি সিলেট জেলার মোগল গাঁও ইউ/পি আউশা গ্রামে অবস্থিত। বিদ্যালয়টি সিলেট সদর উপজেলার মধ্যবর্তী সুযোগাযোগ পূর্ণ স্থানে অবস্থিত। বিদ্যালয়টির মোট ৫.৩৮ এশর জমি রয়েছে । .৬৬ একর ভূমি (লাল কৈলাশ মৌজায়) যেখানে বিদ্যালয়টি প্রথমে প্রতিষ্ঠিত হয়। .৩৪ একর ভূমিতে প্রধান শিক্ষকের বাসভবন অবস্থিত। বাকী ৪.৩৮ শতক ভূমি একত্রে অবস্থিত। উক্ত ভূমিতে বিদ্যালয় ভবনাদি খেলার মাঠ ও পুকুর এবং ছাত্রাবাস অবস্থিত।বিদ্যালয়টি সিলেট জেলার ওসমানীনগর থানাধীন ঢাকা সিলেট মহাসড়ক সংলগ্ন তাজপুর বাজারে অবস্থিত। বিদ্যালয়টি বালাগঞ্জ উপজেলার মধ্যবর্তী সুযোগাযোগ পূর্ণ স্থানে অবস্থিত। বিদ্যালয়টির মোট ৫.৩৮ এশর জমি রয়েছে । .৬৬ একর ভূমি (লাল কৈলাশ মৌজায়)

১৯৯৭ ৮৩% ২৯০ অন্যান্য
দেখুন
পশ্চিম সদর স্কুল এন্ড কলেজ

পাশের হার: ২০১৩ ইং তে ৯৫%

       ২০১২ ইংতে ৮৯%

ভবন: প্রতিষ্টানে দুইটি দুতলা ভবন রয়েছে।

প্রতিষ্টানের অর্জন: হাটি হাটি পা পা করে প্রতিষ্টানটি বিশ বছর পূর্তি অনুষ্টান করেছে। এছাড়াও এই প্রতিষ্টান থেকে অনেক শিক্ষার্থী পাশ করে সমাজের ভাল অবস্থানে চলে গেছে। এছাড়াও এই প্রতিষ্টান থেকে অনেক ছাত্র/ছাত্রী পাশ করে আজ বাংলাদেশের অনেক বিশ্ববিদ্যালয় সহ মেডিকেলে পড়ালেখা করছে।

পাশের হার: ২০১৩ ইং তে ৯৫%

       ২০১২ ইংতে ৮৯%

ভবন: প্রতিষ্টানে দুইটি দুতলা ভবন রয়েছে।

প্রতিষ্টানের অর্জন: হাটি হাটি পা পা করে প্রতিষ্টানটি বিশ বছর পূর্তি অনুষ্টান করেছে। এছাড়াও এই প্রতিষ্টান থেকে অনেক শিক্ষার্থী পাশ করে সমাজের ভাল অবস্থানে চলে গেছে। এছাড়াও এই প্রতিষ্টান থেকে অনেক ছাত্র/ছাত্রী পাশ করে আজ বাংলাদেশের অনেক বিশ্ববিদ্যালয় সহ মেডিকেলে পড়ালেখা করছে।

১৯৬৪ ইং সনের ১৬ ই সেপ্টেম্বর উক্ত বিদ্যালয়রে ভিত্তি প্রস্থর স্থাপনের তারিখ নিধারর্ণ করা হয়। এই ভিত্তি প্রস্থর স্থাপন অনুষ্টানে প্রধান অতিথি ছিলেন তখনকার ডেপুটি কমিশনার জনাব ইসহাক ভুইয়া,বিশেষ অতিথি ছিলেন সফির উদ্দিন জুনিয়র হাইস্কুলের প্রতিষ্টাতা জনাব এম.এ কাহের,সভায় সভাপত্বি করেন আব্দুল মতিন।পরে ১/৫/১৯৮৭ ইং তে হাইস্কুলের অনুদান পাওয়া যায়।

৬ষ্ট শ্রেণী-১৫৬জন

৭ম শেণী-১৮৩জন

৮ম শেণী-১৪৭ জন

৯ম শেণী-১৩৬জন

১০ম শেণী-১০৮জন

একাদশ শ্রেণী-৯০ জন

পাশের হার: ২০১৩ ইং তে ৯৫%

       ২০১২ ইংতে ৮৯%

ভবন: প্রতিষ্টানে দুইটি দুতলা ভবন রয়েছে।

প্রতিষ্টানের অর্জন: হাটি হাটি পা পা করে প্রতিষ্টানটি বিশ বছর পূর্তি অনুষ্টান করেছে। এছাড়াও এই প্রতিষ্টান থেকে অনেক শিক্ষার্থী পাশ করে সমাজের ভাল অবস্থানে চলে গেছে। এছাড়াও এই প্রতিষ্টান থেকে অনেক ছাত্র/ছাত্রী পাশ করে আজ বাংলাদেশের অনেক বিশ্ববিদ্যালয় সহ মেডিকেলে পড়ালেখা করছে।

উক্ত কলেজটি স্থাপিত হওয়ায় আশ পাশের অনেক শিক্ষর্থীর উচ্চ শিক্ষার পথ সহজ হয়েছে। কলেজটি চালুর পর থেকে আজ অবধি সাফল্যের সাথে ফলাফল করছে। উক্ত কলেজ থেকে পাশ করে অনেক শিক্ষার্থী দেশের অনেক ভাল ভাল বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি হয়ে সাফল্যের সাথে ফলাফল করছে।

১৯৬৪ ৭৯% ৮২০ মাধ্যমিক বিদ্যালয়
দেখুন
দেখছেন ১ থেকে ৪ পর্যন্ত, মোট ৪ এন্ট্রি

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন